রিমান্ডে নিয়ে নির্যাতনের কথা জানালেন মিন্নি

বরগুনার আলোচিত রিফাত শরীফ হ'ত্যা মা'মলার প্রধান সাক্ষী থেকে আসামি হওয়া রিফাতের স্ত্রী আশয়া সিদ্দিকা মিন্নি বরগুনা জে'লা কা'রাগারে রয়েছেন। গত ১৯ জুলাই শুক্রবার রিফাত হ'ত্যায় জড়িত থাকার কথা স্বী'কার করে আদালতে স্বী'কারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়ার পর থেকে কা'রাগারে রয়েছেন মিন্নি।

এদিকে প্রচণ্ডভাবে শা'রীরিক নি'র্যাতন করেই আসামি হিসেবে স্বী'কারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে বাধ্য করা হয়েছে বলে অ'ভিযোগ করেন মিন্নির পরিবার।

রোববার বিকেলে মা, বোনসহ পরিবারের সদস্যরা কা'রাগারে সাক্ষাৎ ক'রতে গেলে মিন্নি তাদের কাছে এমন অ'ভিযোগ করেন।

মেয়ের মুখ থেকে শোনা নি'র্যাতনের ঘ'টনা গণমাধ্যমক'র্মীদের বলতে গিয়ে কান্নায় ভে'ঙে প'ড়েন মিন্নির মা জিনাত জাহান। তিনি বলেন, এএসআই রিতার নেতৃত্বে মিন্নির ওপর নি'র্যাতন চালানো হয়। মিন্নিকে বাড়ি থেকে নিয়ে এসে ১২-১৩ ঘণ্টা শা'রীরিক ও মানসিক নি'র্যাতন চালানো হয়।

পুলিশ লাইনে একটি কক্ষে এএসআই রিতার নেতৃত্বে ৪-৫ জন পুলিশ তার ওপর পৈশাচিক নি'র্যাতন চালায়। এ সময় পানি পান ক'রতে চাইলেও তাকে পানি দেওয়া হয়নি। গ্রেফতার দেখানোর পরে রাতে পানির স'ঙ্গে ইয়াবা ট্যাবলেট মিশিয়ে তাকে খেতে দেওয়া হয়েছে।

একটি সাদা কাগজে লিখিত বক্তব্য দিয়ে তাকে মুখস্থ ক'রতে পুলিশ বার বার চাপ দিয়েছে। যতক্ষণ মুখস্থ বলতে না পেরেছে ততক্ষণ পর্যন্ত রিতা ও তার সহযোগীরা তাকে নি'র্যাতন করেছে। পুলিশ মিন্নিকে ভয় দেখিয়ে বলেছে লিখিত বক্তব্য আদালতে না বললে তার বাবা-মা ও চাচাদের ধ'রে আনা হবে।

প্রসঙ্গত, গত ২৬ জুন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে রিফাত শরীফকে প্র'কাশ্যে কু'পিয়ে হ'ত্যা করা হয়। যার ভিডিও অনলাইনে ভাইরাল হলে সাড়া দেশে ব্যা'পক তোলপাড় শুরু হয়। এ ঘ'টনায় রিফাতের বাবা আবদুল হালিম শরীফ বাদী হয়ে ১২ জনের নাম উল্লেখ করে মা'মলা করেন। তাতে প্রধান সাক্ষী করা হয় রিফাত শরীফের স্ত্রী আয়শাকে। কিন্তু আয়শার শ্বশুর মা'মলা ১৮ দিন পর গত ১৩ জুলাই এই হ'ত্যাকাণ্ডে আয়শা জড়িত এমন দা'বি করে সংবাদ সম্মেলন করার পর মা'মলাটি তদন্ত নাটকীয় মোড় নেয়।