রাজনীতি

ছাত্রলীগের নেতৃত্ব নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী

চাঁদাদাবিসহ বেশ কয়েকটি ইস্যুতে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর ওপর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করার পর সংগঠনটির নেতাকর্মীদের মধ্যে চলছে আলোচনা-সমালোচনা। গত এক সপ্তাহ ধরে ঐতিহ্যবাহী এ সংগঠনটির টালমাটাল অবস্থা। সবাই সাংগঠনিক নেত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে।

ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগ সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাতটায় গণভবনে আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সভা রয়েছে। সেখানে অন্যান্য ইস্যুর সঙ্গে ছাত্রলীগের বিষয়টিও আসতে পারে। সেক্ষেত্রে বিকল্প নেতৃত্ব, আগাম সম্মেলন, আহ্বায়ক কমিটি, ভারপ্রাপ্ত বা শোভন-রাব্বানীকে ক্ষমা করে পুনর্বহাল সবকিছুর সম্ভব্যতা যাছাই করা হতে পারে। সেখানে প্রধানমন্ত্রী ছাত্রলীগ নিয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

এদিকে ছাত্রলীগের শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে উন্নয়ন প্রকল্প থেকে ৪-৬ ভাগ চাঁ’দা দাবির অভিযোগ করেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলাম। তবে এসব ঘটনায় নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করে প্রধানমন্ত্রীর কাছে চিঠি দিয়েছেন সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী।

এর আগে ছাত্রলীগ সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর গণভবনে প্রবেশের পাস বাতিল করা হয়।

সূত্র জানায়, গণভবনে প্রবেশের ক্ষেত্রে ছাত্রলীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের স্থায়ী অনুমতি ছিল। ফলে এতদিন গণভবনে প্রবেশের জন্য অন্য অনেকের মতো তাদের আলাদা কোনো অস্থায়ী পাস বা প্রবেশ কার্ড নেওয়া লাগতো না। যেকোনো সময় তারা গণভবনে প্রবেশ করতে পারতেন।

এ সুবিধা বাতিলের ফলে ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এখন গণভবনে প্রবেশ করতে চাইলে দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের কাছ থেকে অন্যদের মতো আলাদা অস্থায়ী পাস নিতে হবে। আগের মতো সরাসরি গণভবনে প্রবেশ করতে পারবেন না।

গত ৭ সেপ্টেম্বর বিতর্কিত কর্মকাণ্ড এবং অযোগ্যতার কারণে গণভবনে আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার ও সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ডের যৌথসভায় ছাত্রলীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বিষয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষোভ প্রকাশ করেন বলে জানা গেছে।

Back to top button
error: Content is protected !!
Close