আর্ন্তজাতিক

লা’ঠিপেটা করেও কুমিরের কবল থেকে স্ত্রীকে বাঁ’চাতে পারল না স্বামী

কাঁকড়া ধরতে গিয়ে কুমিরের কবলে পড়ে মা’রা গেলেন এক নারী। পুলিশ বলছে, নিহত আঙুরবালা জানা (২৬) ভারতের পশ্চিমবঙ্গের শ্রীধরনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের গিরিপাড়ার বাসিন্দা।

গত বৃহস্পতিবার দুপুরে পাথরপ্রতিমার ধনচি জঙ্গলের ঠাকুরান নদীতে কুমিরের কবলে পড়েন তিনি। পরে নদীতে ত’ল্লাশি চালিয়ে আঙুরবালার দেহ উ’দ্ধার করে বনদপ্তর।

খবর পেয়ে পাথরপ্রতিমার গোবর্ধনপুর উপকূল থানার পুলিশ ম’রদেহ উ’দ্ধার করে ইন্দ্রপুর প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যায়। চিকিৎসকরা আঙুরবালাকে মৃ’ত ঘোষণা করেন। আঙুরবালার মৃত্যুতে গিরিপাড়া এলাকার মৎস্যজীবী পাড়ায় শোকের মাতম চলছে।

স্থানীয় ও বনদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, স্বামী সহদেব জানার সঙ্গে ছোট ভুটভুটিতে চড়ে ধনচি জঙ্গলের কাছে কাঁকড়া ধরতে যান আঙুরবালা। নদীর পাড়ে নেমে কাঁকড়ার দোন তুলছিলেন তারা। আচমকা নদী থেকে একটি কুমির পাড়ে উঠে এসে আঙুরবালার পায়ে কা’মড় দেয়। কিছু বুঝে ওঠার আগেই আঙুরবালাকে টানতে টানতে নদীর গভীরে নিয়ে যায় কুমির।

চিৎকার করতে থাকেন আঙুরবালা। স্ত্রীর চিৎকারে ছুটে আসেন সহদেব। আসেন অন্যান্য মৎস্যজীবীরাও। কিন্তু আঙুরবালাকে বাঁ’চানো যায়নি। বাকিরা আসতে আসতেই কুমির আঙুরবালাকে মুখে নিয়ে নদীর পানিতে ডুব দিয়েছে।

ভুটভুটি নিয়ে নদীতে আঙুরবালার খোঁ’জ চালানো হলেও কোথাও তার সন্ধান মিলছিল না। পরে খবর দেওয়া হয় বনদপ্তরের ধনচি বিট অফিসে। কিছুক্ষণের মধ্যে বিট অফিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে চলে আসেন। লঞ্চ নিয়ে নদীতে তল্লাশি শুরু হয়। উদ্ধার হয় আঙুরবালার ম’রদেহ।

কান্নায় ভে’ঙে পড়ে সহদেব জানা বলেন, চোখের সামনে স্ত্রীকে টেনে নিয়ে যেতে দেখলাম। আমি কাছেই ছিলাম। হাতে থাকা লোহার শিক দিয়ে কুমিরটাকে পে’টাই। কিন্তু কোনো লাভ হলো না। আমার স্ত্রীকে টেনে নিয়ে চলে গেল।

Back to top button
error: Content is protected !!
Close