সম্রাটের পতন, পাশে নেই বউও!

‘পতন হলে স্ত্রী ছাড়া কেউ পাশে থাকে না’ বলে মন্তব্য করেছিলেন যুবলীগ সভাপতি ওমর ফারুক চৌধুরী। নেতাক'র্মীদের সত'র্ক করে তিনি বলেছিলেন, জমিনে উত্থান দেখেছি পতনও দেখেছি। পতন হইলে কেউ নাই, বউ ছাড়া কেউ নাই। তবে তার কথা যেন ফললো না যুবলীগের আলোচিত নেতা ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটের ক্ষেত্রে।

সম্রাটকে গ্রেপ্তারের পর চলমান অ'ভিযানের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জা'নিয়েছেন তার স্ত্রী শারমিন চৌধুরী। তিনি বলেন, আমাদের দেশরত্ন শেখ হাসিনাকে এই অ'ভিযানের জন্য ব্য'ক্তিগতভাবে অনেক অনেক ধন্যবাদ জানাবো। এই উদ্যোগ আরো আগে নিলে ভালো হতো।

সম্রাটের স'ঙ্গে যোগাযোগ না থাকার কারণ স'ম্পর্কে তিনি বলেন, আমা'র সাথে ওর একটু মিলতো কম। ও ছেলেপুলে নিয়েই থাকতে বেশি পছন্দ করত। আরো চাইতো না আমি কোনো ক্যামেরার সামনে আসি আমি, ওপেন ফেস হই। আর আমি শুরু থেকে নামাজটা পড়তে পছন্দ করতাম, বাসায় থাকতে পছন্দ করতাম। ও চাইত আমি এভাবেই চলি চলি।

আগে তাকে সিঙ্গাপুরে নিয়ে গেলেও দু’বছর ধ'রে সম্রাট তাকে সাথে নেয় না বলে জা'নান শারমিন চৌধুরী। বলেন, দু’বছর ধ'রে সিঙ্গাপুরে নেয় না, ওখানে বোধহয় একটা চায়না প্লাস মালয়েশিয়ান মিক্স একটা মেয়ের সাথে স'ম্পর্ক হয়েছে। ও গেলে তার সাথেই সময় কাটায় আরকি।

সম্রাট নিয়মিত সিঙ্গাপুর কেন যেতেন- এমন প্রশ্নের জবাবে শারমিন চৌধুরী বলেন, ও সিঙ্গাপুরে জুয়া খেলতেই যেত। জুয়া খেলা ওর নে'শা, কিন্তু সম্পদ জমানো তার নে'শা না। দোকান, গাড়ি এগুলো তার নে'শা না।

শারমিন জা'নান, ২ বছর ধ'রে সম্রাটের সাথে তার যোগাযোগ নেই। তার দা'বি, ওর সম্পদ বলতে কিছুই নাই। ও যা ইনকাম করে ক্যাসিনো চালিয়ে, সব দলের জন্য খরচ করে। দল পালে, আর যা থাকে তা দিয়ে সিঙ্গাপুরে জুয়া খেলে। সম্পদ বলতে কিছুই নেই। আগে যেমন ছিল এখনও তেমন। সম্রাটের কোনো নে'শা নেই ফ্ল্যাট, বাড়ি, গাড়ির প্রতি। ওর একমাত্র নে'শা জুয়া খেলা।

শারমিনের দা'বি, সম্রাট চাইতো না অ'বৈধ টাকা সংসারের খরচ ক'রতে। সে চাইতো না তার পরিবারের লোকজন অ'বৈধ টাকায় চলুক। সেজন্য সেসব টাকা দলের পেছনেই খরচ করতো। যুগ পাল্টেছে। টাকা না দিলে ছেলেপুলে আসে না। তাই সে সেখানেই খরচ করতো।