পুলিশের লা’ঠিচার্জে আবরারের ছোট ভাই আ’হত

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের ছোট ভাই আবরার ফায়াজকে মা’রধ'র করেছে পুলিশ।

বুধবার কুষ্টিয়ার কুমা'রখালী উপজে'লায় রায়ডাঙ্গা গ্রামে এ ঘ'টনা ঘটে। এর আগে পরিবারের স'ঙ্গে দেখা ক'রতে কুষ্টিয়ার কুমা'রখালী উপজে'লায় রায়ডাঙ্গা গ্রামে যান বুয়েটের উপা'চার্য অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম।

সেখানে ভিসিকে বা’ধা দেয় গ্রামবাসী। পরে এলাকাবাসীর স'ঙ্গে পু'লিশের সং’ঘর্ষ বাধে। এ সময় আবরারের ছোট ভাই ফায়াজ, তার ফুপাতো ভাইয়ের স্ত্রী ও আরও একজন নারী আ’হত হন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, বুয়েট ভিসি আবরারের ক’বর জি’য়ারত ক'রতে পেরেছেন। তবে আবরারের বাড়িতে ঢু'কতে পারেননি। আবরারের ভাই ও বাবার প্রশ্নবানে জর্জরিত হন উপা'চার্য। তাদের জি’জ্ঞাসা ছিল, উপা'চার্য কেন ওই হ’ত্যাকাণ্ডের পরপর সেখানে উপস্থিত হননি। এখন কেন এসেছেন?

এ অব'স্থায় আবরারের বাড়িতে ঢোকার সময় উপা'চার্যকে বা’ধা দেয় গ্রামবাসী। আবরারের বাড়ি ঢোকার মুখে ভিসির গাড়ির সামনে শুয়ে প'ড়েন নারীরা। পরে পুলিশ লা’ঠিচার্জ করলে আবরারের ছোট ভাই আবরার ফায়াজসহ পাঁচজন আ’হত হন।

রায়ডাঙ্গা গ্রামে গিয়ে আবরারের ক’বর জি’য়ারত ও তার পরিবারের স'ঙ্গে দেখা করার কথা ছিল ভিসির। এ খবরে আ'ইন-শৃঙ্খলা র'ক্ষাকারী বা'হিনীর বিপুল পরিমাণ সদস্য মোতায়েন করা হয়। আবরারের বাড়ির পাশে ও ক'বরের আশপাশ এলাকায় অসংখ্য র‌্যাব ও পুলিশ অবস্থান নেয়।

গত রোববার রাতে বুয়েটের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র আবরার ফাহাদকে ডেকে নিয়ে যায় ছাত্রলীগের একদল নেতাক'র্মী। এরপর তাকে শেরেবাংলা হলের ২০১১ নম্বর কক্ষে পি’টিয়ে হ’ত্যা করা হয়।