চিলিতে নারী পুলিশের শ’রীরে আ’গুন দিলো বি’ক্ষোভকারীরা

চিলিতে সরকারবিরোধী বি’ক্ষোভ চলছেই। তারমধ্যে আজ ঘটেছে ম’র্মান্তিক এক ঘ’টনা। বি’ক্ষোভকারীরা দুজন নারী পুলিশ সদস্যকে আ’গুনে ঝ’লসে দিয়েছেন। তারা এখন হাসপাতালে মৃ’ত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা ল’ড়ছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে এই খবর জানানো হয়েছে।

রয়টার্স বলছে, সোমবার তাদের এক চিত্রগ্রাহক চিলির রাজধানী সান্তিয়গোর কেন্দ্রে বি’ক্ষোভের ছবি তুলছিলেন। সেখান থেকে বি’ক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করছিল পুলিশ। তারা কাঁদানে গ্যা’স ছু’ড়ছিল। তখনই বি’ক্ষোভকারীরা ককটেল নি’ক্ষেপ করলে দুজন নারী পুলিশ সদস্যের গা’য়ে আ’গুন লাগে।

রয়টার্সের ওই চিত্রগ্রাহকের নাম জোর্গে সিলভা। তিনি মূলত দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার প্রধান চিত্রগ্রাহক। কিন্তু চিলির বি’ক্ষোভ কাভার করার জন্য তাকে সেখানে পাঠানো হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যার মর্মান্তিক ওই ঘটনার বর্ণনা তিনি নিজেই লিখে পাঠিয়েছেন রয়টার্সের সদর দফতরে।

জোর্গে সিলভা জানিয়েছেন, তিনি মধ্য সান্তিয়াগোর বাকুয়েদনো মেট্রো স্টেশনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। অ’গ্নিসংযোগের কারণে সেটি ছিল ব’ন্ধ। পুলিশ সেখান থেকে বি’ক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যা’স ও জ’লকামান ছোড়ারি মধ্যেই আ’গুনে ঝ’লসে যায় দুজন নারী পুলিশ সদস্য।

তিনি দেখেন ওই সময় বি’ক্ষোভকারীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে মলটোভ ক’কটেল ছুড়ে মা’রছে। সেই ক’কটেল থেকে ওই দুই নারী সদস্যের শ’রীরে আ’গুন লেগে যায়। তার সহকর্মীরা অ’গ্নিনির্বাপবক যন্ত্র ও হাত দিয়ে আ’গুন নে’ভানোর চে’ষ্টা করছেন। কিন্তু ততক্ষণে মা’রাত্মকভাবে ঝ’লসে গেছে তাদের শরীর।

পুলিশ বলছে, মা’রাত্মকভাবে দ’গ্ধ ওই নারী পুলিশ সদস্যরা হলেন ২৫ বছর বয়সী মারিয়া জোসে হার্নান্দেজ তোরেস এবং ২০ বছর বয়সী ক্যাতালিনা আবার্তো কার্ডেনাস। সান্তিয়াগো পুলিশের বিশেষ শাখার ওই দুই সদস্য এখন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাদের বাঁ’চানো সম্ভব হবে কি না তা বলতে পারছে না চিকিৎসকরা।