দ্রুত এগিয়ে চলছে মাশরাফীর স্বপ্নের হাসপাতালের নি'র্মাণ কাজ । নড়াইলের এমপি মাশরাফীর প্রথম স্বপ্ন ছিলো মানুষের চিকিৎসা সেবা নিশ্চয়তার এগিয়ে চলেছে সদর হাসপাতাল নি'র্মাণের কাজ।

জাতীয় ক্রিকেট দলের সফল অধিনায়ক, নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্য মাশরাফী বিন মোর্ত্তজার প্রথম স্বপ্ন ছিলো নড়াইলের মানুষের মানসম্মত চিকিৎসাসেবা নি'শ্চিত করা। নড়াইলের মানুষের সুস্বা'স্থ্য কামনায় মানসম্মত চিকিৎসা সেবা নিশ্চয়তার লক্ষ্যে তার এই অ'ঙ্গিকার বাস্তবায়নে নির্মিত হচ্ছে নড়াইল জে'লা হাসপাতালের ১০০ থেকে ২৫০ শয্যায় বিশিষ্ট হাসপাতাল উন্নীতকরণ। আমাদের নড়াইল জে'লা প্রতিনিধি উজ্জ্বল রায় জা'নান, নড়াইল সদর হাসপাতালের প্রাঙ্গনে ১২ তলা ভিত্তিসহ আধা বেসমেন্টসহ এস.এইচ, অভ্যন্তরীণ স্যানিটারি ও বিদ্যুতায়নসহ ৭-সাত তলা হাসপাতাল ভবন নি'র্মাণের কাজটি দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে।

এ নি'র্মাণ কাজ পূবের ১০০ শয্যা হাসপাতালের সাথে যুক্ত হচ্ছে ৭তলা বিশিষ্ট ১৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল। কাজটি শুরু হয়েছে ২০১৮ সালের ৪ জুনে। কাজটি সম্পাদিত হবে ২০২০ সালের ০৩ জানুয়ারি। কাজটির জন্য চুক্তিমূল্য হিসাবে ধ'রা হয়েছে ৩৪ কোটি, ৪৯ লক্ষ ৮০ হাজার ৪৮২ টাকা। কাজটি বাস্তবায়নকারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে রয়েছে গণপূর্ত অধিদপ্তর, নড়াইল এবং নি'র্মাণ কাজের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করছে বঙ্গ ব্লিডার্স লি: – মেসার্স ইডেন প্রাইজ (জেভি)।

আম'রা কথা বলেছিলাম মেসার্স ইডেন প্রাইজের স্বত্বাধিকারি মো: রেজাউল আলমের কাছে তিনি হাসপাতাল নি'র্মাণ স'ম্পর্কে জা'নান, আম'রা চেষ্টা করছি ভালো কিছু করার জন্য। সকলে দোয়া করবেন। এ সময় নি'র্মাণকাজ তদারকি ক'র্মকর্তা গণপূর্ত অধিদপ্তর, নড়াইলের উপ-সহকারি প্রকৌশলী (এসডিই) মো: খায়রুজ্জামান জা'নান, আম'রা নড়াইল সদর হাসপাতালটি ১০০ শয্যায় উন্নীতকরণের কাজ করছি। আশা করছি সামনের বছরের শেষের দিকে কাজটি সম্পন্ন ক'রতে পারবো।

অপরদিকে, সদর হাসপাতালের মেন গেটের সামনে ইজিবাইকসহ মোটরসাইকেল দিয়ে আ'টকিয়ে রাখা হয় প্রতিনিয়ত। কিভাবে হাসপাতালে প্রবেশ করবে মূমূর্ষ রো'গী, অসচে'তনতার কারনে ঘটে যেতে পারে একটি বড় দূর্ঘ'টনা, ঘটে যেতে পারে একটি পরিবারের আয়,ব্যয়ের কর্তা, ধংস হয়ে যাবে একটি পরিবার। নড়াইল সদর হাসপাতালের প্রাচীরের সাথে লাগোয়া ইজিবাইক, ভ্যান, সাইকেল, মোটরসাইকেলসহ সকল প্রকার যানবাহন রাখার যায়গা থাকা সর্তেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের নেই কোন নজরদারী সে দিকে।

এদিকে নড়াইল সদর হাসপাতালের মেন গেটে ঢু'কতে প্রাচীর লাগোয়া বা পাশে রয়েছে জাতীয় শহীদ মিনার, বিভিন্ন দিবস আসলেই দেখা যায়,শহীদ মিনারের কদর,দেখা মেলে শহীদদের স্মরণে পরি'ষ্কার পরিচ্ছন্নতার মহা উৎসব বা ভালোবাসা। কিন্তু এসব দিবসের দিন পার হলেই দেখা মেলে শহীদদের প্রতি কি অবহেলা ও অসন্মান,নেই কোন দায়ীত্ববোধ নেই কোনো নজরদারী হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের,এভাবেই হয়ে ওঠে প্রেম কানন,হয়ে ওঠে জুতা স্যান্ডেল পরে ধুমপায়ীদের আড্ডা, এভাবেই হয়ে ওঠে অবহেলায় নোংড়া আবর্জনার ময়লাখানা।

কোনো প্রকার নজরে আ'সছে না নড়াইল সদর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের। এদিকে হাসপাতালে এ্যাম্বুলেন্সসহ রো'গীদের ভাগিয়ে নিয়ে বিভিন্ন ক্লিনিক, ডায়গনিক্স সেন্টারে পার করছে দালাল চক্র, মাঝে মধ্যে আ'ইন প্রয়োগকারী বা'হিনী অ'ভিযান চালালেও থামছে না এসব ধুননধ'র দালাল চক্রের সদস্য”রা। আ'ইনের তোয়াক্কা না করেই অস'হায় রো'গীদের স্বজনদের সাথে কথা বলে এ্যাম্বুলেন্সে করে বিভিন্ন হাসপাতালে রো'গী নিয়ে যাবে বলে রো'গীদের সাথেও করছে প্রতারণা।

জানাযায়, সরকারি এ্যাম্বুলেন্সের ভাড়ার রেট কম হলেও বে-সরকারি এ্যাম্বুলেন্সের ভাড়ার নেই কোনো নিয়ম কানুন। গরিব অস'হায় রো'গীর স্বজন”রা সরকারি এ্যাম্বুলেন্সে কম টাকায় রো'গী নিতে চাইলেও দালালদের কারনে পৌছাতে পারে না সরকারি এ্যাম্বুলেন্সে দার প্রান্তে,এমন কি সরকারি এ্যাম্বুলেন্সের নাম ভাঙ্গীয়ে বে-সরকারি এ্যাম্বুলেন্সের ড্রাভারদের কাছ থেকে কমিশন নেন এসব দালাল চক্র।

এ্যাম্বুলেন্স নেই,ড্রাইভিং লাইসেন্স নেই,তবুও ড্রাইভারের পরিচয় দিয়ে অস'হায় রো'গীদের সাথে করছে প্রতারণা, দূর্নীতি অনিয়মের কারখানায় পরিনত হয়েছে নড়াইল সদর হাসপাতাল। এদিকে নড়াইল সদর হাসপাতালের সিভিলসার্জন নুপুর কান্তী দাশ ও আরএমও আ,ফ,ম,মসিউর রহমান(বাবু)”র নেই কোন নজরদারী। নড়াইল সদর হাসপাতালে আসা রো'গীদের স্বজন”রা জা'নান,ডাক্তার সাহেবের পিসক্রিপশন হাতে নিয়ে বের হতে না হতেই টানাটানি শুরু করে দালাল”রা এবং দালাল চক্রের সদস্য”রা বলে আমি আপনাকে এই টেষ্ট করিয়ে দিচ্ছি কম টাকায় এমন কথায় ভরসা করে টেষ্ট করানোর পরে দেখা যায় এই টেষ্ট নাকি বেসি টাকা লাগে বলে দা'বি প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষের,বিপদে প'ড়ে বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে রিপোর্ট নিয়ে আসি।

এদিকে এ হাসপাতাল থেকে যশোহর হাসপাতালে রো'গী নিতে সরকারি এ্যাম্বুলেন্স খুজতে বের হওয়ার আগেই দেখা যায় বেডে দাড়িয়ে আছে এ্যাম্বুলেন্সের দালাল”রা,এরা কিভাবে জানে যে রো'গীকে অন্য হাসপাতালে নিতে হবে এখনি। এভাবেই দালালের খপ্পরে পড়তে হচ্ছে আমাদের মত অস'হায় রো'গীর স্বজনদের। তিনি আরো বলেন, নড়াইল সদর হাসপাতাল কে দালাল মু'ক্ত ক'রতে হলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের নজরদারী খুবই জরুরী, আম'রা নড়াইল জে'লা পুলিশ ও সিভিলসার্জন এবং আরএমও সাহেবের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি,আপনারা হাসপাতাল কে বাচাঁন,হাসপাতাল কে দালাল মু'ক্ত করুন,অস'হায় রো'গীদের পাসে দাড়ান,নড়াইল সদর হাসপাতাল হোক আপনাদের সেবার একটি বড় সেবা প্রতিষ্ঠান।