সোলেইমানির জানাজায় কান্নায় ভেঙে পড়লেন খামেনি

ইরানের রাজধানী তেহরানে সোমবার দেশটির বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর অভিজাত শাখা কুদস ফোর্সের প্রধান কাসেম সোলেইমানির জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। দেশটির শীর্ষ এই জেনারেলের প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে তেহরানে সে সময় লাখো মানুষের ঢল নামে। সোলেইমানির ম’রদেহের প্রতি সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় শ্রদ্ধা নিবেদনের পর তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

গত শুক্রবার ইরাকের রাজধানী বাগদাদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মার্কিন ড্রোন হা’মলায় নি’হত হন সোলেইমানি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশেই তাকে হ’ত্যা করা হয়েছে।

সোমবার সকালে জেনারেল সোলেইমানির মরদেহ ইনকিলাব চত্বরে পৌঁছানোর পর লাখো মানুষের অংশগ্রহণে তেহরান যেন জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছিল। সেখান থেকে তার ম’রদেহ তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ে নেয়া হলে দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নি’হত এই জেনারেলের জানাজা নামাজের নেতৃত্ব দেন। সে সময় তিনি কান্নায় ভে’ঙে পড়েন। জেনারেল সোলেইমানির সঙ্গে বিপ্লবী গার্ডের আরও পাঁচ সদস্যেরও জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ওই জানাজায় উপস্থিত ছিলেন সোলেইমানির মেয়ে জয়নব সোলেইমানি। তিনি বলেন, তার বাবার এই হ’ত্যাকাণ্ড যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের জন্য কালো অধ্যায়ের সূচনা হবে। তিনি বলেন, উন্মাদ ট্রাম্প আমার বাবার মৃ’ত্যুর সঙ্গে সঙ্গেই সব কিছু শেষ হয়ে গেছে এমনটা ভাববেন না।

সোলেইমানির জানাজায় তার ছেলে, সোলেইমানির পরিবর্তে কুদস বাহিনীর কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব নেয়া ইসমাইল কানি, প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি, পার্লামেন্টের স্পিকার আলি লারিজানি এবং বিপ্লবী গার্ডের শীর্ষ কমান্ডার মেজর জেনারেল হোসেইন সালামি উপস্থিত ছিলেন।

ইরানি এই জেনারেলকে হ’ত্যার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইরানে প্রতিশোধের আ’গুন জ্ব’লছে। দেশটির এই ক্ষ’মতাধর কমান্ডারের মৃ’ত্যুর কঠোর প্র’তিশোধের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ইরান।